১২:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শাহজালালের ডেগে পাওয়া চিঠিতে ছিল যা লেখা…

রিপোর্টার
  • সময় : ০৪:০২:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
  • / ২ ভিউ

সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্স ও ডেগ খুলে অর্থ গণনার সময় একটি চিঠি পাওয়া গেছে। সোমবার (২২ জুন) বিকেল ৫টার দিকে গণনাকৃত অর্থের সঙ্গে চিঠিটি পাওয়া যায়। চিঠিটি সদ্য সাবেক জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলমকে উদ্দেশ্য করে লেখা। চিঠিতে লেখক নিজেকে একজন শুভাকাঙ্ক্ষী হিসেবে পরিচয় দিয়ে মাজারের অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসনের পদক্ষেপের প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, সিলেটসহ দেশ-বিদেশে অবস্থানরত অধিকাংশ মানুষ এ উদ্যোগকে সমর্থন করছেন। চিঠিতে মাজারের এক কর্মচারীর বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ, প্রভাব বিস্তার এবং মাজার-সংক্রান্ত সম্পত্তি দখলের অভিযোগও তোলা হয়েছে। অভিযোগগুলোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় তদন্ত ও ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

পাঠকদের জন্য দানবাক্সে পাওয়া ওই চিঠির লেখাটি হুবহু তুলে ধরা হয়েছে:- ডিসি সাহেব, আসসালামুআলাইকুম। শাহজালাল মাজারের অনিয়ম ও দুর্ণীতির বিরুদ্ধে আপনার ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সিলেটসহ সারা দেশে এমনকি বিদেশে অবস্থানরত লোকজন আপনার শুধু প্রশংসাই করছেন না। শতকরা ৯৫% মানুষ আপনার পক্ষেই আছেন । সবচেয়ে বড় লুটপাটকারী হচ্ছে দরগার কেরানী শামুন মাহমুদ খান। অর্ধেক টাকাই সে মেরেদে। সে কেরানী হয়েও বড়াই করে বলে সে নাকি খাদিম। এ সবই মিথ্যা। পড়াশুনা করেছে সপ্তম শ্রেনী পর্যন্ত। এখন লম্বালম্বা কথা বলে। দরগার জায়গায় বাড়ী করেছে, দোকান পাঠ করেছে । এ সমস্ত জায়গা উদ্ধার করা একান্ত প্রয়োজন। দয়া করে দেখবেন, তাকে নিয়ে এখন আলোচনা হচ্ছে সেই মুল হুতা।

এর আগে সোমবার (২২ জুন) জোহরের নামাজের পর মাজার প্রাঙ্গণে দানবাক্স ও ডেগের তালা খোলা হয়। এ সময় তালা খোলার কার্যক্রমে নেতৃত্ব দেন সদ্য সাবেক জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলম। দানবাক্সে শুধু অর্থই নয়, ভক্তদের দেওয়া বিভিন্ন চিঠিও পাওয়া যাচ্ছে। সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, দানের অর্থ গণনার কাজ এখনও চলমান রয়েছে বলে জানা গেছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শাহজালালের ডেগে পাওয়া চিঠিতে ছিল যা লেখা…

সময় : ০৪:০২:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্স ও ডেগ খুলে অর্থ গণনার সময় একটি চিঠি পাওয়া গেছে। সোমবার (২২ জুন) বিকেল ৫টার দিকে গণনাকৃত অর্থের সঙ্গে চিঠিটি পাওয়া যায়। চিঠিটি সদ্য সাবেক জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলমকে উদ্দেশ্য করে লেখা। চিঠিতে লেখক নিজেকে একজন শুভাকাঙ্ক্ষী হিসেবে পরিচয় দিয়ে মাজারের অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসনের পদক্ষেপের প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, সিলেটসহ দেশ-বিদেশে অবস্থানরত অধিকাংশ মানুষ এ উদ্যোগকে সমর্থন করছেন। চিঠিতে মাজারের এক কর্মচারীর বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ, প্রভাব বিস্তার এবং মাজার-সংক্রান্ত সম্পত্তি দখলের অভিযোগও তোলা হয়েছে। অভিযোগগুলোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় তদন্ত ও ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

পাঠকদের জন্য দানবাক্সে পাওয়া ওই চিঠির লেখাটি হুবহু তুলে ধরা হয়েছে:- ডিসি সাহেব, আসসালামুআলাইকুম। শাহজালাল মাজারের অনিয়ম ও দুর্ণীতির বিরুদ্ধে আপনার ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সিলেটসহ সারা দেশে এমনকি বিদেশে অবস্থানরত লোকজন আপনার শুধু প্রশংসাই করছেন না। শতকরা ৯৫% মানুষ আপনার পক্ষেই আছেন । সবচেয়ে বড় লুটপাটকারী হচ্ছে দরগার কেরানী শামুন মাহমুদ খান। অর্ধেক টাকাই সে মেরেদে। সে কেরানী হয়েও বড়াই করে বলে সে নাকি খাদিম। এ সবই মিথ্যা। পড়াশুনা করেছে সপ্তম শ্রেনী পর্যন্ত। এখন লম্বালম্বা কথা বলে। দরগার জায়গায় বাড়ী করেছে, দোকান পাঠ করেছে । এ সমস্ত জায়গা উদ্ধার করা একান্ত প্রয়োজন। দয়া করে দেখবেন, তাকে নিয়ে এখন আলোচনা হচ্ছে সেই মুল হুতা।

এর আগে সোমবার (২২ জুন) জোহরের নামাজের পর মাজার প্রাঙ্গণে দানবাক্স ও ডেগের তালা খোলা হয়। এ সময় তালা খোলার কার্যক্রমে নেতৃত্ব দেন সদ্য সাবেক জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলম। দানবাক্সে শুধু অর্থই নয়, ভক্তদের দেওয়া বিভিন্ন চিঠিও পাওয়া যাচ্ছে। সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, দানের অর্থ গণনার কাজ এখনও চলমান রয়েছে বলে জানা গেছে।