০৮:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সহজ হলো কানাডার নাগরিকত্ব পাওয়ার আইন

রিপোর্টার
  • সময় : ১১:০০:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
  • / ৯ ভিউ

নতুন আইনি পরিবর্তনের ফলে কানাডার নাগরিকত্ব পাওয়ার প্রক্রিয়া আগের তুলনায় সহজ হয়েছে। এর ফলে বিশেষ করে কানাডীয় বংশোদ্ভূতদের জন্য নাগরিকত্ব পাওয়ার সুযোগ আরও বিস্তৃত হয়েছে। নতুন আইনের আওতায়, ২০২৫ সালের ১৫ ডিসেম্বরের আগে কানাডার বাইরে জন্ম নেওয়া কেউ যদি নিজের কানাডীয় বংশপরিচয় প্রমাণ করতে পারেন, তবে তিনি নাগরিকত্বের জন্য যোগ্য হবেন। আগে এই সুবিধা শুধু প্রথম প্রজন্মের সন্তানদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। এই পরিবর্তনের পর যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী কানাডীয় বংশোদ্ভূতদের মধ্যে প্রয়োজনীয় নথিপত্র খোঁজার প্রবণতা বেড়েছে। কুইবেকের জাতীয় গ্রন্থাগার ও আর্কাইভসে আবেদনও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে নাগরিকত্ব সনদ পেতে প্রায় ১০ মাস সময় লাগছে বলে জানা গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, অনেকেই নিজেদের শিকড়ের সঙ্গে পুনঃসংযোগ স্থাপন এবং রাজনৈতিক পরিবেশের পরিবর্তনের কারণে কানাডায় যাওয়ার আগ্রহ দেখাচ্ছেন। বিশেষ করে ২০২৪ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পর এই আগ্রহ আরও বেড়েছে।

সরকারি তথ্যে দেখা যায়, ২০১৬ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে প্রায় ৩৪ হাজার ৭০০ মার্কিন নাগরিক কানাডায় স্থায়ী বসবাসের অনুমতি পেয়েছিলেন। ২০২১ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৪২ হাজার ৩০০-এ। চলতি বছরেও ইতোমধ্যে প্রায় ৮ হাজার মানুষ স্থায়ী বসবাসের অনুমতি পেয়েছেন। নতুন আইনে আরও বলা হয়েছে, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫-এর পর জন্ম নেওয়া কানাডীয় বংশোদ্ভূতরাও নাগরিকত্ব পেতে পারবেন, যদি তাদের বাবা-মায়ের কেউ আগে থেকেই কানাডার নাগরিক হন বা অন্তত ১,০৯৫ দিন কানাডায় বসবাস করে থাকেন। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে অন্টারিও সুপিরিয়র কোর্ট অব জাস্টিস প্রথম প্রজন্মভিত্তিক নাগরিকত্বের নিয়মকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করার পর এই পরিবর্তন আনা হয়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সহজ হলো কানাডার নাগরিকত্ব পাওয়ার আইন

সময় : ১১:০০:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

নতুন আইনি পরিবর্তনের ফলে কানাডার নাগরিকত্ব পাওয়ার প্রক্রিয়া আগের তুলনায় সহজ হয়েছে। এর ফলে বিশেষ করে কানাডীয় বংশোদ্ভূতদের জন্য নাগরিকত্ব পাওয়ার সুযোগ আরও বিস্তৃত হয়েছে। নতুন আইনের আওতায়, ২০২৫ সালের ১৫ ডিসেম্বরের আগে কানাডার বাইরে জন্ম নেওয়া কেউ যদি নিজের কানাডীয় বংশপরিচয় প্রমাণ করতে পারেন, তবে তিনি নাগরিকত্বের জন্য যোগ্য হবেন। আগে এই সুবিধা শুধু প্রথম প্রজন্মের সন্তানদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। এই পরিবর্তনের পর যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী কানাডীয় বংশোদ্ভূতদের মধ্যে প্রয়োজনীয় নথিপত্র খোঁজার প্রবণতা বেড়েছে। কুইবেকের জাতীয় গ্রন্থাগার ও আর্কাইভসে আবেদনও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে নাগরিকত্ব সনদ পেতে প্রায় ১০ মাস সময় লাগছে বলে জানা গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, অনেকেই নিজেদের শিকড়ের সঙ্গে পুনঃসংযোগ স্থাপন এবং রাজনৈতিক পরিবেশের পরিবর্তনের কারণে কানাডায় যাওয়ার আগ্রহ দেখাচ্ছেন। বিশেষ করে ২০২৪ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পর এই আগ্রহ আরও বেড়েছে।

সরকারি তথ্যে দেখা যায়, ২০১৬ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে প্রায় ৩৪ হাজার ৭০০ মার্কিন নাগরিক কানাডায় স্থায়ী বসবাসের অনুমতি পেয়েছিলেন। ২০২১ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৪২ হাজার ৩০০-এ। চলতি বছরেও ইতোমধ্যে প্রায় ৮ হাজার মানুষ স্থায়ী বসবাসের অনুমতি পেয়েছেন। নতুন আইনে আরও বলা হয়েছে, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫-এর পর জন্ম নেওয়া কানাডীয় বংশোদ্ভূতরাও নাগরিকত্ব পেতে পারবেন, যদি তাদের বাবা-মায়ের কেউ আগে থেকেই কানাডার নাগরিক হন বা অন্তত ১,০৯৫ দিন কানাডায় বসবাস করে থাকেন। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে অন্টারিও সুপিরিয়র কোর্ট অব জাস্টিস প্রথম প্রজন্মভিত্তিক নাগরিকত্বের নিয়মকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করার পর এই পরিবর্তন আনা হয়।