০৮:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিভিন্ন দাবীতে জেলা জমিয়তের বিক্ষোভ মিছিল

রিপোর্টার
  • সময় : ১১:৩৯:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
  • / ২০ ভিউ

শিমন চৌধুরী- জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে সুনামগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে শুক্রবার বাদ জুমআ শহরের ট্রাফিক পয়েন্টে এক বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভারতের পশ্চিমবঙ্গে মুসলমানদের ওপর নির্যাতন বন্ধ এবং বাংলাদেশ-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের দাবিতে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন। বিক্ষোভ মিছিলটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে ট্রাফিক পয়েন্টে এসে সমাবেশে মিলিত হয়। জমিয়তের কেন্দ্রীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা জমিয়তের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা তৈয়্যিবুর রহমান চৌধুরীর সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মাওলানা শায়খ আব্দুল বছির।

সুনামগঞ্জ জেলা যুব জমিয়তের সভাপতি মাওলানা হাফিজ ত্বোহা হোসাইনের পরিচালনায় সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন জেলা জমিয়তের সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা রফিক আহমদ উলাশনগরী, সহসাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মুখতার হোসাইন চৌধুরী, মাওলানা ইকরাম হোসাইন, মাওলানা রমজান হোসাইন, মাওলানা আব্দুল হাই, মাওলানা মুতিউর রহমান, মাওলানা আব্দুল্লাহ গাজিনগরী, মাওলানা আলীনুর আহমদ আল হাদী প্রমুখ। এসময় জেলা জমিয়তের যুগ্ম সম্পাদক মাওলানা রুকন উদ্দীন, মাওলানা ইলিয়াস আহমদ, মাওলানা সৈয়দ রশিদ আহমদ, মাওলানা নাজমুল ইসলাম জাহিদ, মাওলানা আতিকুল হক, মাওলানা আবিদুর রহমান, মাওলানা মাহবুব সালমান, যুবনেতা হাফিজ মাওলানা হেলাল আহমদ, ছাত্রনেতা রিয়াজ উদ্দীন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা আব্দুল বছির বলেন, “ভারতের পশ্চিমবঙ্গে মুসলমানদের ওপর চলমান নির্যাতন মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে মুসলমানদের ওপর হামলা, হয়রানি ও বৈষম্যমূলক আচরণ কোনো সভ্য সমাজ মেনে নিতে পারে না। অবিলম্বে এসব নির্যাতন বন্ধ করে সংখ্যালঘু মুসলমানদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।” সভাপতির বক্তব্যে সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা তৈয়্যিবুর রহমান চৌধুরী বলেন, “বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী কোনো আন্তর্জাতিক বাণিজ্যচুক্তি দেশের জনগণ মেনে নেবে না। মার্কিন-বাংলাদেশ বাণিজ্যচুক্তির নামে যদি দেশের অর্থনীতি, শিল্পখাত ও স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিভিন্ন দাবীতে জেলা জমিয়তের বিক্ষোভ মিছিল

সময় : ১১:৩৯:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

শিমন চৌধুরী- জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে সুনামগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে শুক্রবার বাদ জুমআ শহরের ট্রাফিক পয়েন্টে এক বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভারতের পশ্চিমবঙ্গে মুসলমানদের ওপর নির্যাতন বন্ধ এবং বাংলাদেশ-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের দাবিতে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন। বিক্ষোভ মিছিলটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে ট্রাফিক পয়েন্টে এসে সমাবেশে মিলিত হয়। জমিয়তের কেন্দ্রীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা জমিয়তের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা তৈয়্যিবুর রহমান চৌধুরীর সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মাওলানা শায়খ আব্দুল বছির।

সুনামগঞ্জ জেলা যুব জমিয়তের সভাপতি মাওলানা হাফিজ ত্বোহা হোসাইনের পরিচালনায় সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন জেলা জমিয়তের সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা রফিক আহমদ উলাশনগরী, সহসাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মুখতার হোসাইন চৌধুরী, মাওলানা ইকরাম হোসাইন, মাওলানা রমজান হোসাইন, মাওলানা আব্দুল হাই, মাওলানা মুতিউর রহমান, মাওলানা আব্দুল্লাহ গাজিনগরী, মাওলানা আলীনুর আহমদ আল হাদী প্রমুখ। এসময় জেলা জমিয়তের যুগ্ম সম্পাদক মাওলানা রুকন উদ্দীন, মাওলানা ইলিয়াস আহমদ, মাওলানা সৈয়দ রশিদ আহমদ, মাওলানা নাজমুল ইসলাম জাহিদ, মাওলানা আতিকুল হক, মাওলানা আবিদুর রহমান, মাওলানা মাহবুব সালমান, যুবনেতা হাফিজ মাওলানা হেলাল আহমদ, ছাত্রনেতা রিয়াজ উদ্দীন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা আব্দুল বছির বলেন, “ভারতের পশ্চিমবঙ্গে মুসলমানদের ওপর চলমান নির্যাতন মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে মুসলমানদের ওপর হামলা, হয়রানি ও বৈষম্যমূলক আচরণ কোনো সভ্য সমাজ মেনে নিতে পারে না। অবিলম্বে এসব নির্যাতন বন্ধ করে সংখ্যালঘু মুসলমানদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।” সভাপতির বক্তব্যে সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা তৈয়্যিবুর রহমান চৌধুরী বলেন, “বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী কোনো আন্তর্জাতিক বাণিজ্যচুক্তি দেশের জনগণ মেনে নেবে না। মার্কিন-বাংলাদেশ বাণিজ্যচুক্তির নামে যদি দেশের অর্থনীতি, শিল্পখাত ও স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।