০৮:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিলেটে ফাহিমার খু/নি/র বাড়ি গুড়িয়ে দিল জনতা

রিপোর্টার
  • সময় : ১২:০৪:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
  • / ৭ ভিউ

সিলেটে চারবছরের শিশু ফাহিমা আক্তারকে ধর্ষণচেষ্টা ও খুনের ঘটনায় গ্রেফতারকৃত জাকির হোসেনের বাড়ি গুড়িয়ে দিয়েছে বিক্ষুব্ধ জনতা। শুক্রবার (১৫ মে) জুমার নামাজের পর মানববন্ধন শেষে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী জাকিরের বাড়িতে হামলা চালান। তারা জাকিরের বসতঘর ভেঙে ফেলেন। জাকির হোসেন সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাঁও ইউনিয়নের সোনাতলা গ্রামের বাসিন্দা। নিহত ফাহিমা জাকিরের প্রতিবেশি দিনমজুর রইসুল হকের মেয়ে।

জানা গেছে, শিশু ফাহিমার খুনি জাকিরের ফাঁসির দাবিতে শুক্রবার (১৫ মে) জুমার নামাজের পর এলাকায় মানববন্ধন করেন। মানববন্ধনে এলাকাবাসী বর্বরোচিত এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে জাকিরের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান। পরে মানববন্ধন থেকে মিছিল সহসকারে এলাকাবাসী জাকিরের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। তারা জাকিরের ঘরের বেড়া, চাল ও  আসবাবপত্র ভাঙচুর করেন। খবর পেয়ে জালালাবাদ থানাপুলিশ ঘটনাস্থলে গিলে বিক্ষুব্ধ জনতাকে শান্ত করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।

জালালাবাদ থানার ওসি শামসুল হাবিব জানান, জুমার নামাজের পর মানববন্ধন শেষে এলাকার লোকজন গিয়ে বাড়ি ভাঙচুর করেন। তিনি জানান, এর আগেও জাকিরকে গ্রেফতারের পর এলাকার লোকজন তার বাড়িতে হামলা চালিয়েছিলেন। ওই সময় বিক্ষুব্ধ লোকজনের হাতে পুলিশও লাঞ্ছিত হয়েছিল।

প্রসঙ্গত, গত ৬ মে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় চারবছরের শিশু ফাহিমা আক্তার। দুদিন পর ৮ মে বাড়ির পাশ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ১১ মে রাতে পুলিশ হত্যাকান্ডের ঘটনায় ফাহিমার প্রতিবেশি জাকির হোসেনকে গ্রেফতার করে। পরে জাকির হত্যাকান্ডের দায় স্বীকার করে। সে জানায় সিগারেট আনতে সে ফাহিমাকে দোকানে পাঠিয়েছিল। দোকান থেকে ফেরার পর ফাঁকা ঘরে সে ফাহিমাকে ধর্ষনের চেষ্টা চালায়। এসময় ফাহিমা অজ্ঞান হয়ে পড়লে সে তাকে গলাচেপে হত্যা করে। এরপর দুদিন মরদেহ ঘরে রাখে। গুম করতে না পেরে পরে লাশ বাড়ির পাশের একটি পুকুরপাড়ের বাঁশ ও নারিকেল গাছের নিচে ফেলে আসে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সিলেটে ফাহিমার খু/নি/র বাড়ি গুড়িয়ে দিল জনতা

সময় : ১২:০৪:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

সিলেটে চারবছরের শিশু ফাহিমা আক্তারকে ধর্ষণচেষ্টা ও খুনের ঘটনায় গ্রেফতারকৃত জাকির হোসেনের বাড়ি গুড়িয়ে দিয়েছে বিক্ষুব্ধ জনতা। শুক্রবার (১৫ মে) জুমার নামাজের পর মানববন্ধন শেষে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী জাকিরের বাড়িতে হামলা চালান। তারা জাকিরের বসতঘর ভেঙে ফেলেন। জাকির হোসেন সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাঁও ইউনিয়নের সোনাতলা গ্রামের বাসিন্দা। নিহত ফাহিমা জাকিরের প্রতিবেশি দিনমজুর রইসুল হকের মেয়ে।

জানা গেছে, শিশু ফাহিমার খুনি জাকিরের ফাঁসির দাবিতে শুক্রবার (১৫ মে) জুমার নামাজের পর এলাকায় মানববন্ধন করেন। মানববন্ধনে এলাকাবাসী বর্বরোচিত এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে জাকিরের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান। পরে মানববন্ধন থেকে মিছিল সহসকারে এলাকাবাসী জাকিরের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। তারা জাকিরের ঘরের বেড়া, চাল ও  আসবাবপত্র ভাঙচুর করেন। খবর পেয়ে জালালাবাদ থানাপুলিশ ঘটনাস্থলে গিলে বিক্ষুব্ধ জনতাকে শান্ত করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।

জালালাবাদ থানার ওসি শামসুল হাবিব জানান, জুমার নামাজের পর মানববন্ধন শেষে এলাকার লোকজন গিয়ে বাড়ি ভাঙচুর করেন। তিনি জানান, এর আগেও জাকিরকে গ্রেফতারের পর এলাকার লোকজন তার বাড়িতে হামলা চালিয়েছিলেন। ওই সময় বিক্ষুব্ধ লোকজনের হাতে পুলিশও লাঞ্ছিত হয়েছিল।

প্রসঙ্গত, গত ৬ মে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় চারবছরের শিশু ফাহিমা আক্তার। দুদিন পর ৮ মে বাড়ির পাশ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ১১ মে রাতে পুলিশ হত্যাকান্ডের ঘটনায় ফাহিমার প্রতিবেশি জাকির হোসেনকে গ্রেফতার করে। পরে জাকির হত্যাকান্ডের দায় স্বীকার করে। সে জানায় সিগারেট আনতে সে ফাহিমাকে দোকানে পাঠিয়েছিল। দোকান থেকে ফেরার পর ফাঁকা ঘরে সে ফাহিমাকে ধর্ষনের চেষ্টা চালায়। এসময় ফাহিমা অজ্ঞান হয়ে পড়লে সে তাকে গলাচেপে হত্যা করে। এরপর দুদিন মরদেহ ঘরে রাখে। গুম করতে না পেরে পরে লাশ বাড়ির পাশের একটি পুকুরপাড়ের বাঁশ ও নারিকেল গাছের নিচে ফেলে আসে।