০৮:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, বিবস্ত্র করে নির্যাতন

রিপোর্টার
  • সময় : ০৯:৪০:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
  • / ৭ ভিউ

সুনামগঞ্জে সরকারি কর্মচারীকে হানি ট্র্যাপে ফেলে আরেক সরকারি কর্মচারী। ট্র্যাপে ফেলে বিবস্ত্র করে চালানো হয় নির্যাতন। বিবস্ত্র অবস্থায় মারধরের ভিডিও ধারণ করে সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছেড়ে দেয়ার হুমকি দিয়ে দাবি করা হয় চাঁদা। বারবার চাঁদা দাবির পর বাধ্য হয়ে সুনামগঞ্জ সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দেয় ভুক্তভোগী। অভিযোগ পেয়ে সাথে সাথে অভিযানে নামে পুলিশ। আটক করা হয় সরকারি কর্মচারী অজিত দাসকে (৩৩)। তাকে নিয়ে অভিযুক্ত যুবতীকে ধরতে বাসায় গেলে তাকে পাওয়া যায় না। পরে ধৃত কর্মচারীকে দিয়ে নতুন ফাঁদ পাতে পুলিশ। অজিতের মাধ্যমে খবর পাঠানো হয় আরেকজন মক্কেল পাওয়া মাঠে নামি। কৌশলে অভিযুক্ত দু’জনকে আটক করতে সক্ষম হই। তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনী ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। গেছে যার মাধ্যমে আরও অর্থ আদায় করা যাবে। এই খবর পেয়ে ছুটে আসেন অভিযুক্ত যুবতী। অভিযুক্ত যুবতী আসতেই আগে আটক করে পূর্ব থেকে ওৎ পাতা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রতন সেখ এবং উপ পরিদর্শক জহির হোসেনের টিম। অভিযুক্ত যুবতী তুলনা আক্তার জামালগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা। অজিত দে শহরের ধোপাখালীর বাসিন্দা।

সুনামগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রতন সেখ বলেন, একটি ভিডিও সহকারে ভুক্তভোগী এসপি স্যারের কাছে অভিযোগ করেন। এসপি স্যারের নির্দেশনা পেয়ে আমরা মাঠে নামি। কৌশলে অভিযুক্ত দু’জনকে আটক করতে সক্ষম হই। তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনী ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, বিবস্ত্র করে নির্যাতন

সময় : ০৯:৪০:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

সুনামগঞ্জে সরকারি কর্মচারীকে হানি ট্র্যাপে ফেলে আরেক সরকারি কর্মচারী। ট্র্যাপে ফেলে বিবস্ত্র করে চালানো হয় নির্যাতন। বিবস্ত্র অবস্থায় মারধরের ভিডিও ধারণ করে সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছেড়ে দেয়ার হুমকি দিয়ে দাবি করা হয় চাঁদা। বারবার চাঁদা দাবির পর বাধ্য হয়ে সুনামগঞ্জ সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দেয় ভুক্তভোগী। অভিযোগ পেয়ে সাথে সাথে অভিযানে নামে পুলিশ। আটক করা হয় সরকারি কর্মচারী অজিত দাসকে (৩৩)। তাকে নিয়ে অভিযুক্ত যুবতীকে ধরতে বাসায় গেলে তাকে পাওয়া যায় না। পরে ধৃত কর্মচারীকে দিয়ে নতুন ফাঁদ পাতে পুলিশ। অজিতের মাধ্যমে খবর পাঠানো হয় আরেকজন মক্কেল পাওয়া মাঠে নামি। কৌশলে অভিযুক্ত দু’জনকে আটক করতে সক্ষম হই। তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনী ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। গেছে যার মাধ্যমে আরও অর্থ আদায় করা যাবে। এই খবর পেয়ে ছুটে আসেন অভিযুক্ত যুবতী। অভিযুক্ত যুবতী আসতেই আগে আটক করে পূর্ব থেকে ওৎ পাতা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রতন সেখ এবং উপ পরিদর্শক জহির হোসেনের টিম। অভিযুক্ত যুবতী তুলনা আক্তার জামালগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা। অজিত দে শহরের ধোপাখালীর বাসিন্দা।

সুনামগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রতন সেখ বলেন, একটি ভিডিও সহকারে ভুক্তভোগী এসপি স্যারের কাছে অভিযোগ করেন। এসপি স্যারের নির্দেশনা পেয়ে আমরা মাঠে নামি। কৌশলে অভিযুক্ত দু’জনকে আটক করতে সক্ষম হই। তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনী ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।