মন্তব্য প্রতিবেদনঃ একবার রাজাকার মানে চিরকাল রাজাকার
- সময় : ১০:৩৪:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫
- / ৪২ ভিউ
নূরানী পীর সাব-ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রয়াত শিক্ষক হুমায়ুন আজাদ স্যারের এক বিখ্যাত উক্তি আজ খুবই মনে পড়ছে। স্যারের এই উক্তি ছিলো -“‘একবার রাজাকার মানে চিরকাল রাজাকার, কিন্তু,একবার মুক্তিযোদ্ধা মানে চিরকাল মুক্তিযোদ্ধা নয়।””
স্যারের এই উক্তির মধ্যে কি নিদারুণ সত্য লুকিয়ে আছে উনার মৃত্যুর এতো বছর পর ও আমরা প্রতিনিয়ত এই সত্যের মুখোমুখি হচ্ছি। জেড আই খান পান্না, প্রবীণ আইনজীবী, বয়োবৃদ্ধ এই মুক্তিযোদ্ধাকে আমরা সম্মানের দৃষ্টিতে দেখতাম। তিনি জুলাইয়ের জ*ঙ্গি স*ন্ত্রা*সী কর্মকাণ্ডের সময় লা*লবদর সেজেছিলেন। রাজপথে এবং আদালতে জামায়াতি জ*ঙ্গি*দের পক্ষে শক্ত অবস্থান নিয়েছিলেন। ৫ই আগস্টের পর জ*ঙ্গিদের হিং*সা*ত্মক ঘটনা দেখে চোখের পানি ফেলে অনুশোচনার আ*গুনে দ*গ্ধ হয়ে আমাদের সামনে হাজির হয়ে বললেন, “এমন বাংলাদেশ আমি চাইনি।” আমরা উনাকে ক্ষমা দিলাম। উনার বিরুদ্ধে মামলা হলো, আমরা মুক্তিযোদ্ধার পক্ষে অবস্থান নিলাম।
উনি মঞ্চ ৭১ গঠন করে সেমিনারের আয়োজন করলেন। সেই সেমিনারে নিজে অনুপস্থিত থেকে আমন্ত্রিত অতিথিদের মব সন্ত্রাসের দিকে ঠেলে দিলেন। সেই অতিথিদের শেষ পর্যন্ত গন্থব্য হলো কারাগার। উনি বিশাল আইনজীবী হয়ে উনার অতিথিদেরকে আজ পর্যন্ত আইনী সেবা দেবার প্রয়োজন মনে করেননি।
এখন হঠাৎ করে রাষ্ট্র কর্তৃক নিযুক্ত হয়ে গেলেন শেখ হাসিনার আইনজীবী। চতুর্দিক থেকে প্রতিবাদের ঝড় উঠলো। একজন সাংবাদিক যখন উনাকে প্রশ্ন করলো, আপনি অবৈধ আদালতের আইনজীবী হয়ে অবৈধ আদালতকে বৈধতা দিচ্ছেন কেনো ? উনি জবাব দিলেন, “সবই যখন জানতে পেরেছেন পারলে ঠেকান।”
এতো নাটকীয়তার পর শেষ পর্যন্ত খোলস ছেড়ে আসল রূপে আমাদের সামনে হাজির হলেন আমাদের আবেগের মুক্তিযোদ্ধা। ডিপস্টেট এবং জামায়াতের কালো টাকার কাছে বিবেক বিক্রি করে দেশদ্রো*হী গা*দ্দা*রের তালিকায় আরেকটা নাম যোগ হলো, জেড আই খান পান্না।




















