০৯:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গাজীপুরে পোশাক কারখানা বন্ধ ঘোষণায় শ্রমিকদের বিক্ষোভ

রিপোর্টার
  • সময় : ১১:৩৪:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫
  • / ২০৪ ভিউ

গাজীপুরের আমবাগ এলাকায় হানিওয়েল গার্মেন্টস কারখানা বন্ধ ঘোষণা করায় বিক্ষোভ করেছেন শ্রমিকরা। মঙ্গলবার সকালে কারখানায় গেটে গিয়ে বন্ধের নোটিশ দেখে উত্তেজিত হয়ে শ্রমিকরা এ বিক্ষোভ করেন। এর আগে গত সোমবার সন্ধ্যায় মহানগরীর কোনাবাড়ী থানাধীন আমবাগ এলাকার ওই কারখানার মূল ফটকে বন্ধের নোটিশ সাঁটিয়ে দেন কর্তৃপক্ষ। এর আগে সোমবার তারা কারখানার জেনারেল ম্যানেজার ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে বরখাস্তসহ বিভিন্ন দাবিতে বিরতি ও বিক্ষোভ করে। হানিওয়েল গার্মেন্টস লিমিটেডের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এডমিন অ্যান্ড ফাইন্যান্স) স্বাক্ষরিত নোটিশে উল্লেখ করা হয়, গত সোমবার কারখানার শ্রমিকবৃন্দ কর্তৃক কিছু অযৌক্তিক দাবি উত্থাপন করে অবৈধভাবে কারখানাতে সংঘবদ্ধ হয়ে উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ করে চরম বিশৃঙ্খলা ও অস্থিতিশীল অবস্থা সৃষ্টি করেন। যার ফলশ্রুতিতে কারখানার অভ্যন্তরে আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি ঘটে। এ ছাড়াও কারখানার নির্ধারিত রপ্তানি কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার কারণে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়। কারখানা কর্তৃপক্ষ বার বার শ্রমিকবৃন্দ কাজে যোগদানের জন্য অনুরোধ করা সত্ত্বেও তারা উৎপাদন কার্যক্রম থেকে বিরত থাকেন। শ্রমিকদের এই আচরণ অবৈধ ধর্মঘটের শামিল। এমতাবস্থায় কারখানা কর্তৃপক্ষ অত্র কারখানার শ্রমিক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিরাপত্তার স্বার্থে বাধ্য হয়ে বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ এর ১৩(১) ধারা মোতাবেক গতকাল সকাল থেকে কারখানাটি অনির্দিষ্টকালের জন্য কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হলো। নোটিশে আরও উল্লেখ করা হয়, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পরবর্তীতে কারখানা চালু করার অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হলে খোলার তারিখ নোটিশের মাধ্যমে অবহিত করা হবে। এ ছাড়াও কারখানার সিকিউরিটি ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিগণ এ আদেশের আওতামুক্ত থাকবেন বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়। এদিকে শ্রমিকরা সকালে কারখানার গেটে এসে বন্ধের নোটিশ দেখে উত্তেজিত হয়ে ওঠে।

তারা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে এবং ক্লাব থেকে কোনাবাড়ী নতুন বাজারের শাখা রোডটি বন্ধ করে দেয়। এ সময় যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেয়  শ্রমিকরা। গাজীপুর শিল্প পুলিশ-২ কোনাবাড়ী জোনের পরিদর্শক মো. মোর্শেদ জামান বলেন, শ্রমিক ও মালিক পক্ষের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করছি।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গাজীপুরে পোশাক কারখানা বন্ধ ঘোষণায় শ্রমিকদের বিক্ষোভ

সময় : ১১:৩৪:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫

গাজীপুরের আমবাগ এলাকায় হানিওয়েল গার্মেন্টস কারখানা বন্ধ ঘোষণা করায় বিক্ষোভ করেছেন শ্রমিকরা। মঙ্গলবার সকালে কারখানায় গেটে গিয়ে বন্ধের নোটিশ দেখে উত্তেজিত হয়ে শ্রমিকরা এ বিক্ষোভ করেন। এর আগে গত সোমবার সন্ধ্যায় মহানগরীর কোনাবাড়ী থানাধীন আমবাগ এলাকার ওই কারখানার মূল ফটকে বন্ধের নোটিশ সাঁটিয়ে দেন কর্তৃপক্ষ। এর আগে সোমবার তারা কারখানার জেনারেল ম্যানেজার ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে বরখাস্তসহ বিভিন্ন দাবিতে বিরতি ও বিক্ষোভ করে। হানিওয়েল গার্মেন্টস লিমিটেডের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এডমিন অ্যান্ড ফাইন্যান্স) স্বাক্ষরিত নোটিশে উল্লেখ করা হয়, গত সোমবার কারখানার শ্রমিকবৃন্দ কর্তৃক কিছু অযৌক্তিক দাবি উত্থাপন করে অবৈধভাবে কারখানাতে সংঘবদ্ধ হয়ে উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ করে চরম বিশৃঙ্খলা ও অস্থিতিশীল অবস্থা সৃষ্টি করেন। যার ফলশ্রুতিতে কারখানার অভ্যন্তরে আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি ঘটে। এ ছাড়াও কারখানার নির্ধারিত রপ্তানি কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার কারণে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়। কারখানা কর্তৃপক্ষ বার বার শ্রমিকবৃন্দ কাজে যোগদানের জন্য অনুরোধ করা সত্ত্বেও তারা উৎপাদন কার্যক্রম থেকে বিরত থাকেন। শ্রমিকদের এই আচরণ অবৈধ ধর্মঘটের শামিল। এমতাবস্থায় কারখানা কর্তৃপক্ষ অত্র কারখানার শ্রমিক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিরাপত্তার স্বার্থে বাধ্য হয়ে বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ এর ১৩(১) ধারা মোতাবেক গতকাল সকাল থেকে কারখানাটি অনির্দিষ্টকালের জন্য কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হলো। নোটিশে আরও উল্লেখ করা হয়, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পরবর্তীতে কারখানা চালু করার অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হলে খোলার তারিখ নোটিশের মাধ্যমে অবহিত করা হবে। এ ছাড়াও কারখানার সিকিউরিটি ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিগণ এ আদেশের আওতামুক্ত থাকবেন বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়। এদিকে শ্রমিকরা সকালে কারখানার গেটে এসে বন্ধের নোটিশ দেখে উত্তেজিত হয়ে ওঠে।

তারা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে এবং ক্লাব থেকে কোনাবাড়ী নতুন বাজারের শাখা রোডটি বন্ধ করে দেয়। এ সময় যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেয়  শ্রমিকরা। গাজীপুর শিল্প পুলিশ-২ কোনাবাড়ী জোনের পরিদর্শক মো. মোর্শেদ জামান বলেন, শ্রমিক ও মালিক পক্ষের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করছি।