০৪:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ২৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দোয়ারাবাজারে চলছে নদীর পাড়কেটে বালু উত্তোলন, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা

রিপোর্টার
  • সময় : ১২:৫৫:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬
  • / ১৯ ভিউ

দোয়ারাবাজারে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগী স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুর রউফ। তিনি উপজেলার নরসিংপুর ইউনিয়নের রহিমেরপাড়া গ্রামের আব্দুর রহিমের পুত্র। গত ৩১ মার্চ দোয়ারাবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অরুপ রতন সিংহ বরাবরে লিখিত আবদেন করেন তিনি। তাতে উল্লেখ করা হয়, মেঘালয় থেকে নেমে আসা পাহাড়ি খরস্রোতা চেলা নদীর পশ্চিম পাড়ঘেঁষে চাইরগাঁও (ক্যাম্পের) বাজার -ফকিরটিলা সড়কের অবস্থান। কিন্তু সড়কের রহিমেরপাড়া এলাকায় নদীর পাড় কেটে ও নদীতীরের সরকারি খাস ভূমি থেকে কতিপয় অসাধু ব্যক্তি সনাতন পদ্ধতিতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। ফলে এলাকার চিত্র ক্রমশ ছোট হয়ে আসছে। এতে নদীর উভয় পাড়ের কয়েক হাজার মানুষের চলাচলের একমাত্র ভরসা উল্লেখিত সড়কটি। তাই জরুরি ভিত্তিতে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়।

সোমবার (৬ এপ্রিল) সরেজমিনে স্থানীয়দের সাথে আলাপকালে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় রহিমেরপাড়া এলাকায় ওই গ্রামের ফজর আলী গংরা জোরপূর্বক সরকারি খাস জমি ও বেড়িবাঁধের গোড়া হতে বালু উত্তোলন করে আসছে। ফলে হুমকির সম্মুখীন সড়ক, বেড়িবাঁধ ও নদীতীরের বসতভিটাসহ অনেক স্থাপনা। স্থানীয়দের একাধিকবার বাঁধা নিষেধ সত্বেও বালু উত্তোলন বন্ধ না হলে অবশেষে কামনা করে হয়  প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ।

উল্লেখ্য, ভ্রাম্যমাণ আদালত কর্তৃক গত বছর  একই কারণে আর্থিক জরিমানাসহ কারাদণ্ডে দন্ডিত হয় উল্লেখিত ফজর আলী। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে একাধিকবার যোগাযোগ করেও অভিযুক্ত ফজর আলীর সন্ধান মিলেনি।এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অরুপ রতন সিংহ জানান, অভিযোগ পেয়েছি। খতিয়ে দেখে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দোয়ারাবাজারে চলছে নদীর পাড়কেটে বালু উত্তোলন, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা

সময় : ১২:৫৫:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬

দোয়ারাবাজারে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগী স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুর রউফ। তিনি উপজেলার নরসিংপুর ইউনিয়নের রহিমেরপাড়া গ্রামের আব্দুর রহিমের পুত্র। গত ৩১ মার্চ দোয়ারাবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অরুপ রতন সিংহ বরাবরে লিখিত আবদেন করেন তিনি। তাতে উল্লেখ করা হয়, মেঘালয় থেকে নেমে আসা পাহাড়ি খরস্রোতা চেলা নদীর পশ্চিম পাড়ঘেঁষে চাইরগাঁও (ক্যাম্পের) বাজার -ফকিরটিলা সড়কের অবস্থান। কিন্তু সড়কের রহিমেরপাড়া এলাকায় নদীর পাড় কেটে ও নদীতীরের সরকারি খাস ভূমি থেকে কতিপয় অসাধু ব্যক্তি সনাতন পদ্ধতিতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। ফলে এলাকার চিত্র ক্রমশ ছোট হয়ে আসছে। এতে নদীর উভয় পাড়ের কয়েক হাজার মানুষের চলাচলের একমাত্র ভরসা উল্লেখিত সড়কটি। তাই জরুরি ভিত্তিতে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়।

সোমবার (৬ এপ্রিল) সরেজমিনে স্থানীয়দের সাথে আলাপকালে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় রহিমেরপাড়া এলাকায় ওই গ্রামের ফজর আলী গংরা জোরপূর্বক সরকারি খাস জমি ও বেড়িবাঁধের গোড়া হতে বালু উত্তোলন করে আসছে। ফলে হুমকির সম্মুখীন সড়ক, বেড়িবাঁধ ও নদীতীরের বসতভিটাসহ অনেক স্থাপনা। স্থানীয়দের একাধিকবার বাঁধা নিষেধ সত্বেও বালু উত্তোলন বন্ধ না হলে অবশেষে কামনা করে হয়  প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ।

উল্লেখ্য, ভ্রাম্যমাণ আদালত কর্তৃক গত বছর  একই কারণে আর্থিক জরিমানাসহ কারাদণ্ডে দন্ডিত হয় উল্লেখিত ফজর আলী। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে একাধিকবার যোগাযোগ করেও অভিযুক্ত ফজর আলীর সন্ধান মিলেনি।এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অরুপ রতন সিংহ জানান, অভিযোগ পেয়েছি। খতিয়ে দেখে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।