০৭:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মোরগ চুরি নিয়ে সংঘর্ষ, ছাতকে আহত ৫০

রিপোর্টার
  • সময় : ১২:৫১:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫
  • / ২৫ ভিউ

ছাতকে মোরগ চুরিকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের লোকজনের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষে অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (২১ নভেম্বর) রাত ১০টার দিকে উপজেলার দক্ষিণ খুরমা ইউনিয়নের দড়ারপাড় এবং মনিরগাতি (কুম্বায়ন) গ্রামের লোকজনের মধ্যে এই সংঘর্ষ হয়। গ্রামসংলগ্ন পাকা সড়কে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। দুই পক্ষই দেশীয় অস্ত্র, লাঠিসোটা ও ইটপাটকেল ব্যবহার করে একে অপরের ওপর হামলে পড়ে। খবর পেয়ে ছাতক থানা পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

সংঘর্ষে দড়ারপাড় গ্রামের আবু বক্কর (৩৫), লোকমান মিয়া (৪৫), ফয়ছল আহমদ (২৫), লাহিন মিয়া (২২), সাকলাইন মিয়া (২৬), গিয়াস উদ্দিন (৫০) এবং মনিরগাতি (কুম্বায়ন) গ্রামের নাহিদ মিয়া (২০), জামাল হোসেন (৪০), সফর আলী (৩৫) সহ আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স (কৈতক হাসপাতাল) এ ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়াও আরও অনেককে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দড়ারপাড় গ্রামের আবু বক্করের বাড়ি থেকে সম্প্রতি কয়েকবার গৃহপালিত মোরগ চুরির ঘটনা ঘটেছে। এসব চুরির জন্য পাশের কুম্বায়ন গ্রামের নাহিদ মিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। শুক্রবার রাতেও আবু বক্করের একটি মোরগ নিখোঁজ হয়। এ ঘটনায় আবু বক্কর নাহিদের বাড়িতে গিয়ে কথা বলতে চাইলে নাহিদ ও তার স্বজনরা ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে আটক করে মারধর করে।

এদিকে আবু বক্করকে আটকের খবর গ্রামে পৌঁছালে তার স্বজনরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে নাহিদের বাড়ির দিকে এগিয়ে যায়। পরে দুই পক্ষ পাকা সড়কে মুখোমুখি হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

ছাতক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সফিকুল ইসলাম খান জানান, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর যৌথ হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। বর্তমানে এলাকায় শান্ত পরিবেশ বিরাজ করছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মোরগ চুরি নিয়ে সংঘর্ষ, ছাতকে আহত ৫০

সময় : ১২:৫১:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫

ছাতকে মোরগ চুরিকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের লোকজনের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষে অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (২১ নভেম্বর) রাত ১০টার দিকে উপজেলার দক্ষিণ খুরমা ইউনিয়নের দড়ারপাড় এবং মনিরগাতি (কুম্বায়ন) গ্রামের লোকজনের মধ্যে এই সংঘর্ষ হয়। গ্রামসংলগ্ন পাকা সড়কে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। দুই পক্ষই দেশীয় অস্ত্র, লাঠিসোটা ও ইটপাটকেল ব্যবহার করে একে অপরের ওপর হামলে পড়ে। খবর পেয়ে ছাতক থানা পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

সংঘর্ষে দড়ারপাড় গ্রামের আবু বক্কর (৩৫), লোকমান মিয়া (৪৫), ফয়ছল আহমদ (২৫), লাহিন মিয়া (২২), সাকলাইন মিয়া (২৬), গিয়াস উদ্দিন (৫০) এবং মনিরগাতি (কুম্বায়ন) গ্রামের নাহিদ মিয়া (২০), জামাল হোসেন (৪০), সফর আলী (৩৫) সহ আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স (কৈতক হাসপাতাল) এ ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়াও আরও অনেককে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দড়ারপাড় গ্রামের আবু বক্করের বাড়ি থেকে সম্প্রতি কয়েকবার গৃহপালিত মোরগ চুরির ঘটনা ঘটেছে। এসব চুরির জন্য পাশের কুম্বায়ন গ্রামের নাহিদ মিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। শুক্রবার রাতেও আবু বক্করের একটি মোরগ নিখোঁজ হয়। এ ঘটনায় আবু বক্কর নাহিদের বাড়িতে গিয়ে কথা বলতে চাইলে নাহিদ ও তার স্বজনরা ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে আটক করে মারধর করে।

এদিকে আবু বক্করকে আটকের খবর গ্রামে পৌঁছালে তার স্বজনরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে নাহিদের বাড়ির দিকে এগিয়ে যায়। পরে দুই পক্ষ পাকা সড়কে মুখোমুখি হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

ছাতক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সফিকুল ইসলাম খান জানান, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর যৌথ হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। বর্তমানে এলাকায় শান্ত পরিবেশ বিরাজ করছে।