দোয়ারাবাজার : ৫ কোটি টাকার প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ
- সময় : ০২:১০:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫
- / ৪৬ ভিউ
মামুন মুন্সী-দোয়ারাবাজার উপজেলার লক্ষীপুর ইউনিয়নের চকবাজার-হরিণাপাঠি সড়কের উন্নয়ন কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এলজিইডির অধীনে আম্পান পুনর্বাসন প্রকল্পের আওতায় ৫ কোটি ৩২ লাখ ৪৫ হাজার ৪২০ টাকা ব্যয়ে সড়ক, পালাসাইডিং ও ড্রেন নির্মাণের কাজ চললেও এর মান নিয়ে চরম প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।
প্রকল্পে ১,২০০ মিটার সড়ক, ১,৪০০ মিটার পালাসাইডিং এবং ৪০০ মিটার ড্রেন নির্মাণের কথা। তবে কাজের বিভিন্ন অংশে নিম্নমানের কংক্রিট, গার্ডওয়াল নির্মাণে দুর্বল রড ব্যবহার এবং ত্রুটিপূর্ণ ভিত্তি দেখা গেছে বলে এলাকার মানুষের অভিযোগ।
স্থানীয়দের দাবি, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এম. এ. ইঞ্জিনিয়ারিং ও নাফিজ আহমেদ (জেভি) এবং উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল হামিদ’র মধ্যে ‘অস্বচ্ছ যোগসাজশ’ রয়েছে। তাদের অভিযোগ-প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়মের কথা বললে প্রকৌশলী উল্টো ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখান। স্থানীয়দের কেউ অভিযোগ তুললে তিনি বলেন, ‘এখানে কাজ করব না, এই কাজ অন্য জায়গায় নিয়ে যাবো।’ এমন আচরণে এলাকাবাসী মনে করেন, প্রকৌশলী যেন প্রকল্পের তদারককারী নন-বরং ঠিকাদারের পক্ষেই দাঁড়িয়ে রয়েছেন। প্রকল্পের টেকসই স্থায়িত্ব নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।
বৃহস্পতিবার বিকালে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান। বক্তারা বলেন, এ প্রকল্পে যে অনিয়মের চিত্র দেখা যাচ্ছে তা শুধু অবহেলা নয়- বরং বিশেষ স্বার্থের প্রভাব থাকতে পারে। তারা প্রকল্পের নথিপত্র প্রকাশ, স্বচ্ছ তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত ছিলেন- ডা. আরবের রহমান খোকন, শাহ আলম, মনির হোসেন, ডা. সাইফুল ইসলাম, শরাফত আলী, মো. জাকির হোসেন, সাজিদুল ইসলাম, হারুন অর রশীদ, লিটন আহমেদ, নুর হোসেন, মাস্টার সিকান্দার আহমেদ, ইমাম হোসেন প্রমুখ।
অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল হামিদ বলেন, স্থানীয়দের অভিযোগ আমরা গুরুত্ব সহকারে পর্যবেক্ষণ করছি। নিম্নমানের কাজের কোনো সুযোগ নেই। যেখানে ত্রুটি পাওয়া যাবে, ঠিকাদারকে তা সংশোধন করতে বাধ্য করা হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অরুপ রতন সিংহ বলেন, নিয়ম বহির্ভূতভাবে কাজ করার সুযোগ নেই। অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
























