০৮:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সুনামগঞ্জ ; প্রার্থীদের কার কতো সম্পদ

রিপোর্টার
  • সময় : ০২:৩১:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ৪৬ ভিউ

বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অ্যাড. নুরুল ইসলাম নুরুল ও জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মো. শামছ উদ্দিন ছাড়াও সুনামগঞ্জ-৪ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী আছেন আরও ৭ জন। এদের মধ্যে যাচাই-বাছাই কালে ৩ প্রার্থী অর্থাৎ, স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য মোহাম্মদ আবিদুল হক, খেলাফত মজলিসের মো. আমিরুল ইসলাম, এলডিপির মো. মাহফুজুর রহমান খালেদ (তুষার) এর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। অবশ্য আপিলের মাধ্যমে উপযুক্ত প্রমাণ দেখানো সাপেক্ষে তাদের মনোনয়ন ফিরে পাওয়ার সুযোগ খোলা রয়েছে।

হলফনামা অনুযায়ী, সুনামগঞ্জ-৪ আসনে জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী মো. নাজমুল হুদা’র ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে কোন টাকা নেই। স্থাবর সম্পদ উল্লেখ করেন নি। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে মো. মাহফুজুর রহমান খালেদ (তুষার), মো. আমিরুল ইসলামেও কোন টাকা নেই। শহীদুল ইসলামের নগদ টাকা, ইলেকট্রনিক পণ্য এবং ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে কোন টাকা নেই। নেই স্থাবর সম্পদও।

স্বতন্ত্র প্রার্থী সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য দেওয়ান জয়নুল জাকেরীনের পেশা ব্যবসা, শিক্ষাগত যোগ্যতা এম.এ (ইতিহাস)। কৃষিখাত থেকে তিনি বার্ষিক ২ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা, শেয়ার, বন্ড/সঞ্চয়পত্র/ব্যাংক আমানত থেকে ১ লক্ষ ৮৫ হাজার ১৪১ টাকা, অন্যান্য খাত থেকে ২ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা। সুনামগঞ্জ ভ্রমণ

স্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে- নিজ নামে নগদ অর্থ ৪৮ লক্ষ টাকা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা ১৬ লক্ষ ৮১ হাজার ১৯৯ টাকা, সঞ্চয়পত্র ও স্থায়ী আমানতে বিনিয়োগ ১৫ লক্ষ টাকা, ৩০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার ১৫ লক্ষ টাকা, ইলেকট্রনিক পণ্য ১ লক্ষ টাকা ও আসবাবপত্র ১ লক্ষ টাকা। অর্জনকালীন সময়ে এসবের মোট মূল্য ছিল ৯৫ লক্ষ ৮১ হাজার ১৯৯ টাকা। কিন্তু বর্তমানে আনুমানিক মূল্য ১ কোটি ৪০ লক্ষ ৮৯ হাজার ১৯৯ টাকা।

এদিকে স্বামী/স্ত্রীর নামে সঞ্চয়পত্র/স্থায়ী আমানতে বিনিয়োগ ৪৫ লক্ষ টাকা, ১০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার ৫ লক্ষ টাকা, ইলেকট্রনিক পণ্য ২ লক্ষ টাকা ও আসবাবপত্র ২ লক্ষ টাকা। অর্জনকালীন সময়ে এসবের মোট মূল্য ছিল ৫৪ লক্ষ টাকা। কিন্তু বর্তমানে আনুমানিক মূল্য ৬৯ লক্ষ টাকা।

স্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে পৈত্রিক ১৩.৯৫ একর কৃষি জমি। আয়কর রির্টানে তাঁর দেখানো সম্পদের পরিমাণ ১ কোটি ৪৪ লক্ষ ৫৫ হাজার ১৪১ টাকা। এরমধ্যে নিজ নামে ৭৯ লক্ষ ৩৫ হাজার ১৪১ টাকা এবং স্বামী/স্ত্রীর নামে ৬৫ লক্ষ ২০ হাজার টাকা।

জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী মো. নাজমুল হুদা আইনপেশা থেকে বার্ষিক ৪ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা আয় করেন। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নিজ নামে নগদ ৭ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা, বৈবাহির সূত্রে পাওয়া ৫ ভরি স্বর্ণ, ইলেকট্রনিক পণ্য ১ লক্ষ টাকা, আসবাবপত্র ১ লক্ষ টাকা।  স্থাবর সম্পদ নেই। তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা এলএলবি (অনার্স)। আয়কর রিটার্নে তিনি সম্পদের পরিমাণ দেখিয়েছেন ৯ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা।

খেলাফত মজলিসের মো. আমিরুল ইসলাম পেশা উল্লেখ করেছেন প্রাইভেট সার্ভিস। শিক্ষাগত যোগ্যতা ফাজিল পাস। কৃষিখাত থেকে তিনি বার্ষিক ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা, চাকুরী থেকে ৪ লক্ষ টাকা আয় করেন। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নিজ নামে নগদ ২ লক্ষ টাকা, ইলেকট্রনিক পণ্য ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা, আসবাবপত্র ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। অর্জনকালীন সময়ে এসবের মোট মূল্য ছিল ৬ লক্ষ টাকা। বর্তমানে আনুমানিক মূল্যও একই। এদিকে স্বামী/স্ত্রীর নামে রয়েছে উপহার হিসেবে প্রাপ্ত ২০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার। অস্থাবর সম্পদ রয়েছে- ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার।

এলডিপির মো. মাহফুজুর রহমান খালেদ (তুষার) আইনপেশা থেকে বার্ষিক ৪ লক্ষ ৯৮ হাজার ৪২৭ টাকা আয় করেন। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নিজ নামে নগদ অর্থ ১৩ লক্ষ টাকা ও নির্ভরশীলদের নামে ৫০ হাজার টাকা। আয়কর রির্টানে দেখানো তাঁর সম্পদের পরিমাণ ২৬ লক্ষ ৫০ হাজার ৭২৩ টাকা।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ আজিজুল হক’র পেশা শিক্ষকতা ও ব্যবসা। কৃষি খাত থেকে তিনি বার্ষিক আয় করেন ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা, বাড়ি/এপার্টমেন্ট/বাণিজ্যিক স্থান/অন্যান্য স্থাবর সম্পত্তি থেকে ভাড়া পান ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা, শিক্ষকতা পেশা থেকে আয় করেন ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা।

অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নগদ অর্থ ৩ লক্ষ টাকা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমাকৃত অর্থ ১ লক্ষ টাকা, ৩ ভরি স্বর্ণ ১ লক্ষ টাকা, ইলেকট্রনিক পণ্য ৫০ হাজার টাকা, আসবাবপত্র ৫০ হাজার টাকা। স্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে- ৫.৬৮ একর কৃষি জমি, দালান ঘর ৪৬ লক্ষ টাকা, পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত একটি বাড়ি ৫ লক্ষ টাকা। তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতকোত্তর (দাওরায়ে হাদিস)। আয়কয় রির্টানে দেখানো তাঁর সম্পদের পরিমাণ ১ কোটি ৭৮ লক্ষ ৯৮ হাজার ৮০০ টাকা।

স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য মোহাম্মদ আবিদুল হক আইনপেশা থেকে বার্ষিক ৫ লক্ষ ২০ হাজার ২৯০ টাকা এবং শেয়ার, বন্ড/সঞ্চয়পত্র/ব্যাংক আমানত থেকে আয় ৩৯ হাজার ১০৫ টাকা।

অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নগদ অর্থ ২ লক্ষ টাকা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমাকৃত অর্থ ৭৬ হাজার ৬৭৮ টাকা ৬১ পয়সা, একটি মোটরসাইকেল ৫০ হাজার টাকা, ইলেকট্রনিক পণ্য ৫ লক্ষ টাকা, আসবাবপত্র ৭ লক্ষ টাকা, রেমিটেন্স ১০ লক্ষ ২৫ হাজার ৫৫২ টাকা। অর্জনকালীন সময়ে এসবের মোট মূল্য ছিল ১৫ লক্ষ ২৬ হাজার ৬৭৮ টাকা ৬১ পয়সা। কিন্তু বর্তমানে আনুমানিক মূল্য ২৩ লক্ষ টাকা।

স্বামী/স্ত্রীর নামে নগদ অর্থ ১ লক্ষ টাকা, ৫০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার ৩৫ লক্ষ টাকা। অর্জনকালীন সময়ে এসবের মোট মূল্য ছিল ৩৫ লক্ষ টাকা। কিন্তু বর্তমানে আনুমানিক মূল্য ১ কোটি ৪ লক্ষ টাকা। স্থাবর সম্পদ রয়েছে ২ কোটি ৫৭ লক্ষ টাকার। তাঁর সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা এল.এল.বি (অনার্স) এলএলএম বার এট’ল, বিএ (অনার্স) এমএ (চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়)। আয়কর রির্টানে তাঁর দেখানো সম্পদের পরিমাণ ১৮ লক্ষ ৯৯ হাজার ৬৬১ টাকা (ডিপিএসসহ)।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর মনোনীত প্রার্থী শহীদুল ইসলাম’র পেশা শিক্ষকতা ও কৃষি। কৃষিখাত থেকে তিনি বার্ষিক আয় করেন ৫০ হাজার টাকা, শিক্ষকতা পেশা থেকে ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা।

অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে- আসবাবপত্র ১ লক্ষ টাকা। এছাড়াও স্বামী ও স্ত্রীর নামে আছে ৩ ভরি স্বর্ণালঙ্কার ৫ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। স্থাবর সম্পদ নেই। তাঁর সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা মুফতি।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সুনামগঞ্জ ; প্রার্থীদের কার কতো সম্পদ

সময় : ০২:৩১:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬

বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অ্যাড. নুরুল ইসলাম নুরুল ও জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মো. শামছ উদ্দিন ছাড়াও সুনামগঞ্জ-৪ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী আছেন আরও ৭ জন। এদের মধ্যে যাচাই-বাছাই কালে ৩ প্রার্থী অর্থাৎ, স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য মোহাম্মদ আবিদুল হক, খেলাফত মজলিসের মো. আমিরুল ইসলাম, এলডিপির মো. মাহফুজুর রহমান খালেদ (তুষার) এর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। অবশ্য আপিলের মাধ্যমে উপযুক্ত প্রমাণ দেখানো সাপেক্ষে তাদের মনোনয়ন ফিরে পাওয়ার সুযোগ খোলা রয়েছে।

হলফনামা অনুযায়ী, সুনামগঞ্জ-৪ আসনে জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী মো. নাজমুল হুদা’র ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে কোন টাকা নেই। স্থাবর সম্পদ উল্লেখ করেন নি। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে মো. মাহফুজুর রহমান খালেদ (তুষার), মো. আমিরুল ইসলামেও কোন টাকা নেই। শহীদুল ইসলামের নগদ টাকা, ইলেকট্রনিক পণ্য এবং ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে কোন টাকা নেই। নেই স্থাবর সম্পদও।

স্বতন্ত্র প্রার্থী সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য দেওয়ান জয়নুল জাকেরীনের পেশা ব্যবসা, শিক্ষাগত যোগ্যতা এম.এ (ইতিহাস)। কৃষিখাত থেকে তিনি বার্ষিক ২ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা, শেয়ার, বন্ড/সঞ্চয়পত্র/ব্যাংক আমানত থেকে ১ লক্ষ ৮৫ হাজার ১৪১ টাকা, অন্যান্য খাত থেকে ২ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা। সুনামগঞ্জ ভ্রমণ

স্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে- নিজ নামে নগদ অর্থ ৪৮ লক্ষ টাকা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা ১৬ লক্ষ ৮১ হাজার ১৯৯ টাকা, সঞ্চয়পত্র ও স্থায়ী আমানতে বিনিয়োগ ১৫ লক্ষ টাকা, ৩০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার ১৫ লক্ষ টাকা, ইলেকট্রনিক পণ্য ১ লক্ষ টাকা ও আসবাবপত্র ১ লক্ষ টাকা। অর্জনকালীন সময়ে এসবের মোট মূল্য ছিল ৯৫ লক্ষ ৮১ হাজার ১৯৯ টাকা। কিন্তু বর্তমানে আনুমানিক মূল্য ১ কোটি ৪০ লক্ষ ৮৯ হাজার ১৯৯ টাকা।

এদিকে স্বামী/স্ত্রীর নামে সঞ্চয়পত্র/স্থায়ী আমানতে বিনিয়োগ ৪৫ লক্ষ টাকা, ১০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার ৫ লক্ষ টাকা, ইলেকট্রনিক পণ্য ২ লক্ষ টাকা ও আসবাবপত্র ২ লক্ষ টাকা। অর্জনকালীন সময়ে এসবের মোট মূল্য ছিল ৫৪ লক্ষ টাকা। কিন্তু বর্তমানে আনুমানিক মূল্য ৬৯ লক্ষ টাকা।

স্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে পৈত্রিক ১৩.৯৫ একর কৃষি জমি। আয়কর রির্টানে তাঁর দেখানো সম্পদের পরিমাণ ১ কোটি ৪৪ লক্ষ ৫৫ হাজার ১৪১ টাকা। এরমধ্যে নিজ নামে ৭৯ লক্ষ ৩৫ হাজার ১৪১ টাকা এবং স্বামী/স্ত্রীর নামে ৬৫ লক্ষ ২০ হাজার টাকা।

জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী মো. নাজমুল হুদা আইনপেশা থেকে বার্ষিক ৪ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা আয় করেন। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নিজ নামে নগদ ৭ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা, বৈবাহির সূত্রে পাওয়া ৫ ভরি স্বর্ণ, ইলেকট্রনিক পণ্য ১ লক্ষ টাকা, আসবাবপত্র ১ লক্ষ টাকা।  স্থাবর সম্পদ নেই। তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা এলএলবি (অনার্স)। আয়কর রিটার্নে তিনি সম্পদের পরিমাণ দেখিয়েছেন ৯ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা।

খেলাফত মজলিসের মো. আমিরুল ইসলাম পেশা উল্লেখ করেছেন প্রাইভেট সার্ভিস। শিক্ষাগত যোগ্যতা ফাজিল পাস। কৃষিখাত থেকে তিনি বার্ষিক ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা, চাকুরী থেকে ৪ লক্ষ টাকা আয় করেন। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নিজ নামে নগদ ২ লক্ষ টাকা, ইলেকট্রনিক পণ্য ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা, আসবাবপত্র ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। অর্জনকালীন সময়ে এসবের মোট মূল্য ছিল ৬ লক্ষ টাকা। বর্তমানে আনুমানিক মূল্যও একই। এদিকে স্বামী/স্ত্রীর নামে রয়েছে উপহার হিসেবে প্রাপ্ত ২০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার। অস্থাবর সম্পদ রয়েছে- ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার।

এলডিপির মো. মাহফুজুর রহমান খালেদ (তুষার) আইনপেশা থেকে বার্ষিক ৪ লক্ষ ৯৮ হাজার ৪২৭ টাকা আয় করেন। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নিজ নামে নগদ অর্থ ১৩ লক্ষ টাকা ও নির্ভরশীলদের নামে ৫০ হাজার টাকা। আয়কর রির্টানে দেখানো তাঁর সম্পদের পরিমাণ ২৬ লক্ষ ৫০ হাজার ৭২৩ টাকা।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ আজিজুল হক’র পেশা শিক্ষকতা ও ব্যবসা। কৃষি খাত থেকে তিনি বার্ষিক আয় করেন ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা, বাড়ি/এপার্টমেন্ট/বাণিজ্যিক স্থান/অন্যান্য স্থাবর সম্পত্তি থেকে ভাড়া পান ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা, শিক্ষকতা পেশা থেকে আয় করেন ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা।

অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নগদ অর্থ ৩ লক্ষ টাকা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমাকৃত অর্থ ১ লক্ষ টাকা, ৩ ভরি স্বর্ণ ১ লক্ষ টাকা, ইলেকট্রনিক পণ্য ৫০ হাজার টাকা, আসবাবপত্র ৫০ হাজার টাকা। স্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে- ৫.৬৮ একর কৃষি জমি, দালান ঘর ৪৬ লক্ষ টাকা, পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত একটি বাড়ি ৫ লক্ষ টাকা। তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতকোত্তর (দাওরায়ে হাদিস)। আয়কয় রির্টানে দেখানো তাঁর সম্পদের পরিমাণ ১ কোটি ৭৮ লক্ষ ৯৮ হাজার ৮০০ টাকা।

স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য মোহাম্মদ আবিদুল হক আইনপেশা থেকে বার্ষিক ৫ লক্ষ ২০ হাজার ২৯০ টাকা এবং শেয়ার, বন্ড/সঞ্চয়পত্র/ব্যাংক আমানত থেকে আয় ৩৯ হাজার ১০৫ টাকা।

অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নগদ অর্থ ২ লক্ষ টাকা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমাকৃত অর্থ ৭৬ হাজার ৬৭৮ টাকা ৬১ পয়সা, একটি মোটরসাইকেল ৫০ হাজার টাকা, ইলেকট্রনিক পণ্য ৫ লক্ষ টাকা, আসবাবপত্র ৭ লক্ষ টাকা, রেমিটেন্স ১০ লক্ষ ২৫ হাজার ৫৫২ টাকা। অর্জনকালীন সময়ে এসবের মোট মূল্য ছিল ১৫ লক্ষ ২৬ হাজার ৬৭৮ টাকা ৬১ পয়সা। কিন্তু বর্তমানে আনুমানিক মূল্য ২৩ লক্ষ টাকা।

স্বামী/স্ত্রীর নামে নগদ অর্থ ১ লক্ষ টাকা, ৫০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার ৩৫ লক্ষ টাকা। অর্জনকালীন সময়ে এসবের মোট মূল্য ছিল ৩৫ লক্ষ টাকা। কিন্তু বর্তমানে আনুমানিক মূল্য ১ কোটি ৪ লক্ষ টাকা। স্থাবর সম্পদ রয়েছে ২ কোটি ৫৭ লক্ষ টাকার। তাঁর সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা এল.এল.বি (অনার্স) এলএলএম বার এট’ল, বিএ (অনার্স) এমএ (চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়)। আয়কর রির্টানে তাঁর দেখানো সম্পদের পরিমাণ ১৮ লক্ষ ৯৯ হাজার ৬৬১ টাকা (ডিপিএসসহ)।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর মনোনীত প্রার্থী শহীদুল ইসলাম’র পেশা শিক্ষকতা ও কৃষি। কৃষিখাত থেকে তিনি বার্ষিক আয় করেন ৫০ হাজার টাকা, শিক্ষকতা পেশা থেকে ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা।

অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে- আসবাবপত্র ১ লক্ষ টাকা। এছাড়াও স্বামী ও স্ত্রীর নামে আছে ৩ ভরি স্বর্ণালঙ্কার ৫ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। স্থাবর সম্পদ নেই। তাঁর সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা মুফতি।