১০:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইসলামি বিপ্লবের পর সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষার মুখে ইরানের শাসকরা

রিপোর্টার
  • সময় : ০৮:৩৯:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ৬৩ ভিউ

১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর এখন সবচেয়ে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড়িয়ে ইরানের শাসকগোষ্ঠী। এই সংকট মোকাবিলায় তারা নজিরবিহীন ব্যবস্থা নিয়েছে। তারা দেশজুড়ে কঠোর নিরাপত্তা অভিযান চালাচ্ছে এবং প্রায় পুরোপুরিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দিয়েছে। এর আগের কোনো সংকটেই তাদেরকে এমনটা করতে দেখা যায়নি। দেশটির যেসব সড়কে কিছুদিন আগেও সরকারবিরোধী স্লোগানের গর্জন শোনা যাচ্ছিলো, সেগুলো এখন ধীরে ধীরে শান্ত হয়ে আসছে।

“শুক্রবার ইরানের পরিস্থিতি ছিল ভয়াবহ। সেদিন অবিশ্বাস্যরকমের ভিড় ছিল, আর ব্যাপক গোলাগুলির শব্দ শোনা গিয়েছিলো। কিন্তু শনিবার রাত থেকে পরিস্থিতি অনেকটাই শান্ত,” বিবিসি পার্সিয়ানকে বলেন তেহরানের এক বাসিন্দা। একজন ইরানি সাংবাদিকের ভাষায়, “এখন রাস্তায় নামা মানে মৃত্যুকে আহ্বান করা।” ইরানের এবারের সংকট শুধু দেশের ভেতরের বিক্ষোভেই সীমাবদ্ধ নেই। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বাইরের চাপও।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবার সামরিক পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন। আর এটি তিনি দিচ্ছেন এমন এক সময়ে, যখন মাত্র সাত মাস আগে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে টানা ১২ দিনের যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছিলো। ওই সংঘাত ইরানের শাসনব্যবস্থাকে স্পষ্টভাবে দুর্বল করে দেয়। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, এই পরিস্থিতি ইরানের হাতে আরেকটি তাস তুলে দিয়েছে। অর্থাৎ, ইরান এখন আলোচনার টেবিলে ফিরতে আগ্রহী।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ইসলামি বিপ্লবের পর সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষার মুখে ইরানের শাসকরা

সময় : ০৮:৩৯:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর এখন সবচেয়ে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড়িয়ে ইরানের শাসকগোষ্ঠী। এই সংকট মোকাবিলায় তারা নজিরবিহীন ব্যবস্থা নিয়েছে। তারা দেশজুড়ে কঠোর নিরাপত্তা অভিযান চালাচ্ছে এবং প্রায় পুরোপুরিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দিয়েছে। এর আগের কোনো সংকটেই তাদেরকে এমনটা করতে দেখা যায়নি। দেশটির যেসব সড়কে কিছুদিন আগেও সরকারবিরোধী স্লোগানের গর্জন শোনা যাচ্ছিলো, সেগুলো এখন ধীরে ধীরে শান্ত হয়ে আসছে।

“শুক্রবার ইরানের পরিস্থিতি ছিল ভয়াবহ। সেদিন অবিশ্বাস্যরকমের ভিড় ছিল, আর ব্যাপক গোলাগুলির শব্দ শোনা গিয়েছিলো। কিন্তু শনিবার রাত থেকে পরিস্থিতি অনেকটাই শান্ত,” বিবিসি পার্সিয়ানকে বলেন তেহরানের এক বাসিন্দা। একজন ইরানি সাংবাদিকের ভাষায়, “এখন রাস্তায় নামা মানে মৃত্যুকে আহ্বান করা।” ইরানের এবারের সংকট শুধু দেশের ভেতরের বিক্ষোভেই সীমাবদ্ধ নেই। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বাইরের চাপও।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবার সামরিক পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন। আর এটি তিনি দিচ্ছেন এমন এক সময়ে, যখন মাত্র সাত মাস আগে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে টানা ১২ দিনের যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছিলো। ওই সংঘাত ইরানের শাসনব্যবস্থাকে স্পষ্টভাবে দুর্বল করে দেয়। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, এই পরিস্থিতি ইরানের হাতে আরেকটি তাস তুলে দিয়েছে। অর্থাৎ, ইরান এখন আলোচনার টেবিলে ফিরতে আগ্রহী।